খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই, সঙ্গে উপহার গাছের চারা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাবিতে ৪৮ টাকায় বই, সঙ্গে উপহার গাছের চারা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী বই বিক্রির আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শুভোদয়’। তারুণ্যের অনুপ্রেরণা ও জ্ঞানচর্চার বিকাশে মাত্র ৪৮ টাকা প্রতীকী মূল্যে শিক্ষামূলক, প্রেরণামূলক ও ইতিহাসভিত্তিক বই বিক্রি করা হয়। বইয়ের সঙ্গে দেওয়া হয় একটি করে গাছের চারা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে এ কর্মসূচি শুরু হয়। আয়োজকদের এ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তরুণ পাঠক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করা, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আয়োজন সম্পর্কে শুভোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হাসান শাকিল বলেন, প্রথাগত রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে গিয়ে তরুণ প্রজন্মের মেধা ও মনন বিকাশে কিছু করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতীকী মূল্য ৪৮ টাকায় যুবসমাজের উপযোগী বই বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে পরিবেশবান্ধব গাছের চারাও উপহার দেওয়া হচ্ছে।

জাহিদ হাসান শাকিল আরও বলেন, বর্তমান তরুণ সমাজের মধ্যে ইতিহাসের সঠিক তথ্য জানা এবং বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পেয়ে তারা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও শুভোদয় সমাজ গঠনমূলক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘শুভোদয়’-এর এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে বই পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান তারা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় একাধিক সেনা নিহতের দাবি ইরানের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় একাধিক সেনা নিহতের দাবি ইরানের

যোগফল প্রতিবেদক: 

ইরানের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোরে আইআরজিসির স্থলবাহিনী কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন কমান্ডারের কমান্ড পোস্ট ও আবাসস্থল লক্ষ্য করে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় বলে দাবি করেছে ইরানি বাহিনী। হামলায় কয়েকজন ‘শত্রু’ সেনা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। খবর মেহের নিউজ এজেন্সির।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জর্ডান, বাহরাইন ও ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যবহৃত ড্রোন রাখার হ্যাঙ্গার ও ড্রোন মোতায়েনের র‌্যাম্পে আগুন ধরে যায়। এতে কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেছে আইআরজিসি।

ইরানি বাহিনী আরও অভিযোগ করেছে, মানবাধিকারের ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ করে মার্কিন সেনাবাহিনী সিরিক এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানকে শোকে পরিণত করেছে। তাদের দাবি, একটি আবাসিক বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় প্রায় ৭০ জন নিরপরাধ মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে ইরানি বাহিনীর এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হামলা ও হতাহতের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ধার করা টাকায় দিনের পর দিন খুঁজছেন বাবা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলে, ধার করা টাকায় দিনের পর দিন খুঁজছেন বাবা

 যোগফল প্রতিবেদক:

চোখেমুখে ক্লান্তি, কপালে দুশ্চিন্তার ছাপ। দুর্গম পাহাড়ি পথে দিনের পর দিন হাঁটছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব তালকা সাদা। পায়ের ব্যথা, ক্ষুধা আর অনিশ্চয়তা—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারছে না। একমাত্র ছেলে বিনোদকে খুঁজে পেতে নেপালের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলের সমতলভূমি তরাই অঞ্চলের সপ্তারি জেলার বাসিন্দা তালকা। গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘরবাড়ি, সেতু, স্কুল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হওয়ার পর থেকে ১৯ বছর বয়সী বিনোদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

বন্যার এক দিন আগে ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল তালকার। প্রায় এক মাস আগে রাশুয়া জেলায় একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন বিনোদ। সেখানে সিমেন্ট মেশানোসহ বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে কাজ করা ১৭ থেকে ১৯ বছর বয়সী আরও চার তরুণও বন্যার পর নিখোঁজ রয়েছেন।

ছেলেকে হারানোর কষ্টের কথা বলতে গিয়ে তালকা বলেন, তার স্ত্রী ছেলের জন্য ভেঙে পড়েছেন। তিনিও গভীর কষ্টের মধ্যে রয়েছেন এবং কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না।

ধার করা দুই হাজার রুপি নিয়ে যাত্রা

ছেলেকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় একটি ধূসর ব্যাকপ্যাক সঙ্গে নেন তালকা। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে গায়ে জড়ান কমলা রঙের পলিথিন। পকেটে ছিল দুই হাজার নেপালি রুপিরও কম টাকা। মার্কিন মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১৩ ডলার। এই অর্থও তাকে ধার করতে হয়েছে।

তালকা জানান, প্রতি ১০০ নেপালি রুপি ধার নেওয়ার বিপরীতে তাকে ২০ রুপি সুদ দিতে হবে। সেই টাকা নিয়ে ভাইকে সঙ্গে করে সপ্তারি থেকে বাসে কাঠমান্ডু যান তিনি। প্রায় ২৯২ কিলোমিটারের এই পথ পাড়ি দিতে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে প্রায় নয় ঘণ্টা সময় লাগে।

কাঠমান্ডু পৌঁছে দুই ভাই একের পর এক হাসপাতালে খোঁজ করেন। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে অনেক আহত ও মৃত মানুষকে রাজধানীতে আনা হয়েছিল। হাসপাতালের মর্গের বাইরে থাকা ছবি দেখেও বিনোদকে শনাক্ত করতে পারেননি তারা।

উদ্ধার হওয়া অনেক মরদেহ পচে যাওয়া কিংবা খণ্ডিত অবস্থায় থাকায় শনাক্তকরণও কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু কোথাও বিনোদের নাম বা ছবি না পেয়ে হতাশ হন তারা।

দুর্গম পথে ছেলের সন্ধানে

কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের নুয়াকোটের দিকে এরপর হাঁটা শুরু করেন তালকা ও তার ভাই। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই বিনোদ যে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করতেন সেটি অবস্থিত।

ভাঙা সড়ক পেরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটার পর তারা পৌঁছান ত্রিশুলি শহরে। বন্যার ধ্বংসাবশেষ, কাদা ও পলিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শহরটির বিভিন্ন এলাকা।

তালকা জানান, আগের রাতে একটি আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য তাদের ১ হাজার ৫০০ নেপালি রুপি খরচ হয়েছে। বিনিময়ে সামান্য খাবার দেওয়া হয়েছিল। আরও এক রাত সেখানে থাকলে তাদের হাতে থাকা সব টাকা শেষ হয়ে যাবে।

মর্গ ও সেনাশিবিরে যেতে চান

তালকা ও তার ভাইয়ের দাবি, তারা শুধু মর্গ ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত সেনাশিবিরগুলোতে গিয়ে নিখোঁজদের তালিকা এবং মরদেহগুলো দেখতে চান। কিন্তু তাদের বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, মাধেসি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্য হওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তালকার পরিবার ‘মুসাহার’ সম্প্রদায়ের, যেটি তরাই অঞ্চলের একটি অত্যন্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

তালকা বলেন, তারা দরিদ্র হওয়ায় এবং মাধেসি ও বিহারি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। নেপালি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে না পারায় এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য, ছেলে জীবিত থাকুক বা না থাকুক, অন্তত তার মরদেহটি দেখার অধিকার তাদের রয়েছে।

নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পরও উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিতদের উদ্ধারে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টিকা দেওয়ার পর শিশুর পায়ে জটিলতার অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টিকা দেওয়ার পর শিশুর পায়ে জটিলতার অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর

যোগফল প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে টিকা দেওয়ার পর জায়ান ইসলাম নামে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর ডান পায়ে জটিলতা দেখা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিশু জায়ান উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়েনগর গ্রামের মিজি বাড়ির রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পরিবারের দাবি, গত ২৭ জুলাই জায়ানকে ১০ মাস বয়সে দেওয়ার নির্ধারিত হাম টিকা দিতে দরবেশপুর ইউনিয়নের আইয়েনগর পোদ্দার বাড়ির টিকাদান কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে নিয়মিত টিকা প্রদানকারী শারমিন আক্তার শিশুটির ডান পায়ে হাঁটুর একটু নিচে টিকা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, টিকা দেওয়ার পর শিশুটির ওই স্থানে পোড়া, পুঁজ ও রক্ত বের হওয়ার মতো জটিলতা দেখা দেয়। বিষয়টি টিকা প্রদানকারীকে জানানো হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি। উল্টো তার স্বামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত—এ কথা বলে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।

শিশুটির দাদি রেহানা আক্তার বলেন, ‘আমি নিজে আমার নাতিকে গত ২৭ জুলাই টিকা দিতে নিয়ে যাই। হাঁটুর একটু নিচে টিকা দেন শারমিন আক্তার। বাচ্চার জটিলতা দেখা দেওয়ার পর বিষয়টি তাকে জানালে তিনি কোনো গুরুত্ব দেননি। বরং তার স্বামী রাজনীতি করেন—এ কথা বলে আমাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে টিকা প্রদানকারী শারমিন আক্তার বলেন, ‘ভুল হতেই পারে, মানুষ ভুল করে না? হাজারো ডাক্তার ভুল করে রোগী মারা যায়, কই কিছু তো হয় না। তাহলে আমার বিষয়টা নিয়ে এত মাতামাতি কেন?’

রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। শিশুটির পরিবারকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে শিশুটিকে সরকারি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

ভুল জায়গায় টিকা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শারমিন আক্তার অনেক শিশুকে টিকা দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ভুল হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা সরকারি হাসপাতালে করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পরিবার আবেদন করার পর বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান বলেন, শিশুটির পরিবার একটি লিখিত আবেদন করেছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তের পর শিশুটির পায়ে জটিলতার প্রকৃত কারণ ও টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা জানা যাবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম