খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩

ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচ হলেই দেশের ফুটবল বদলাবে না: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচ হলেই দেশের ফুটবল বদলাবে না: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

ব্রাজিলের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সম্ভাব্য ম্যাচ নিয়ে দেশের ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে খেললেই দেশের ফুটবলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে—এমনটা মনে করেন না যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) একটি প্রতিনিধি দল জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা পরিদর্শন করে। পরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দেয় প্রতিনিধি দলটি।

এরপর থেকেই সম্ভাব্য বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ম্যাচ আয়োজনের জন্য বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় বাফুফের আর্থিক সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা চলছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে একটি বক্সিং কোচিং কোর্সে অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আমিনুল হক। এ সময় তিনি জানান, ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, বাফুফে সভাপতির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ম্যাচের সম্ভাব্য খরচ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে এখনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। আলোচনা এগিয়ে গেলে ম্যাচটি আয়োজনের জন্য চেষ্টা করা হবে।

বাংলাদেশে ব্রাজিলের বিপুলসংখ্যক সমর্থকের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এমন ম্যাচ আয়োজন করা গেলে সমর্থকদের দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণ হতে পারে। তবে শুধু ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ খেললেই দেশের ফুটবলের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নের জন্য অবকাঠামো, খেলোয়াড় তৈরির প্রক্রিয়া ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

২০১১ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার মধ্যকার প্রীতি ম্যাচের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আমিনুল হক। তার ভাষ্য, ওই ম্যাচ আয়োজনের পর বাফুফেকে দীর্ঘ সময় ধরে ঋণের বোঝা বহন করতে হয়েছে। তাই বড় বাজেটের একটি ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের টেকসই উন্নয়নকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশের ফুটবলের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে বাফুফে কাজ করছে এবং সরকারও সহযোগিতা করছে। পাশাপাশি ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচির মাধ্যমে ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

তবে সব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হলে সেটি দেশের ফুটবলের জন্য একটি নতুন মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যশোরে বিজিবির অভিযানে স্বর্ণ পাচারকারী আটক, উদ্ধার ২ বার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোরে বিজিবির অভিযানে স্বর্ণ পাচারকারী আটক, উদ্ধার ২ বার

 যোগফল প্রতিবেদক:

যশোরের দাইতলা ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইটি স্বর্ণের বারসহ ময়ুর (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের ওজন ১৯২ দশমিক ৪৫ গ্রাম। বিজিবির হিসাবে এর বাজারমূল্য প্রায় ৪৪ লাখ ৫৯ হাজার ৬৬ টাকা।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে যশোর-নড়াইল মহাসড়কের দাইতলা ব্রিজ এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় ৪৯ বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল।

আটক ময়ুর মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের বাসিন্দা। বিজিবি জানায়, তল্লাশির সময় তার শরীরের বিশেষ স্থানে কৌশলে লুকিয়ে রাখা দুইটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও নগদ ১ হাজার ৬০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ৬৬৬ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ময়ুর জানিয়েছে, ঢাকার একটি স্থান থেকে স্বর্ণের বারগুলো সংগ্রহ করে যশোর হয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল সে।

আটকের পর উদ্ধার করা স্বর্ণ ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে তাকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়।

৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্বর্ণ পাচারের প্রবণতা বেড়েছে। এ ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান বন্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

লাল পোলকা ডটে অপু বিশ্বাস, রাতে দিলেন ‘সুন্দর স্বপ্নের’ বার্তা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লাল পোলকা ডটে অপু বিশ্বাস, রাতে দিলেন ‘সুন্দর স্বপ্নের’ বার্তা

যোগফল প্রতিবেদক:

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অভিনয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন ও ব্যক্তিগত স্টাইলের কারণেও নিয়মিতই ভক্তদের নজর কাড়েন তিনি। এবার রাতের স্নিগ্ধ মুহূর্তের একটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের শুভরাত্রির বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ছবিটি শেয়ার করেন অপু বিশ্বাস। ছবিতে তাকে লাল রঙের পোলকা ডট পোশাকে দেখা যায়। হাসিমুখের স্বাভাবিক ও আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে ছবিটি বেশ নজর কেড়েছে।

ছবির ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘শান্ত রাত, সুন্দর স্বপ্ন। শুভরাত্রি!’

তার এই পোস্টের পর ভক্তদের মধ্যেও দেখা গেছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া। অনেকে তার সাজ ও লুকের প্রশংসা করেছেন।

ফ্যাশনে পোলকা ডট প্রিন্টকে দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাসিক ও ট্রেন্ডি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ক্যাজুয়াল কিংবা স্বস্তিদায়ক পোশাকেও এই ধরনের নকশা সহজেই স্টাইলিশ আবহ তৈরি করে। রাতের স্নিগ্ধ পরিবেশে লাল পোলকা ডট পোশাকে অপু বিশ্বাসের উপস্থিতিও তাই পেয়েছে আলাদা মাত্রা।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘শেষ কথা একটাই, আরকানে ফিরতে চাই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘শেষ কথা একটাই, আরকানে ফিরতে চাই

যোগফল প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে বিশাল সমাবেশ করেছেন রোহিঙ্গারা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে উখিয়া ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফুটবল মাঠে ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (ইউসিআর)-এর উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর পূর্তি ও ‘জেনোসাইড ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুরা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেন। সমাবেশস্থলে তাদের মুখে ছিল নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা।

সমাবেশের একপর্যায়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে রোহিঙ্গা ভাষায় ‘শেষ হতা এক্কান, ফিরতে চাই আরকান’—অর্থাৎ ‘শেষ কথা একটাই, আরকানে ফিরতে চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় নিজেদের অধিকার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

সমাবেশে ২০১৭ সালের সহিংসতায় নিহতদের স্মরণ, রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি, গণহত্যার বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি এবং মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, ২০১৭ সালের সহিংসতার নয় বছর পেরিয়ে গেলেও রোহিঙ্গাদের স্বজন হারানোর বেদনা, ঘরবাড়ি হারানোর কষ্ট এবং নিজ দেশে ফিরতে না পারার হতাশা কাটেনি। তারা নাগরিকত্বের স্বীকৃতি, নিরাপত্তা, চলাচলের স্বাধীনতা ও নিজ ভিটেমাটিতে ফেরার অধিকার নিশ্চিত করে প্রত্যাবাসনের দাবি জানান।

রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী মোহাম্মদ রফিক বলেন, দীর্ঘ নয় বছর ধরে তারা শরণার্থী হিসেবে জীবনযাপন করছেন। বাংলাদেশ মানবিক কারণে আশ্রয় দিলেও তারা নিজেদের দেশে ফিরে যেতে চান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

ইউসিআরের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যানেলের সদস্য মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের মানবিক সহায়তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। তবে তারা মিয়ানমারে নিজেদের জন্মভূমিতে ফিরে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চান।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন শুধু সীমান্ত পার করে মিয়ানমারে পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। সেখানে ফিরে যাওয়ার পর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, অধিকার, নাগরিকত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা ও জীবিকার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। প্রত্যাবাসন হতে হবে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ।

সমাবেশে বার্মিজ ভাষায় বক্তব্য দেন ইউসিআরের নেতা মাস্টার শোয়েব। তিনি রোহিঙ্গাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবারও রোহিঙ্গাদের এ সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে ক্যাম্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এপিবিএনের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম