খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত ছোট্ট রাইয়্যান, বাঁচতে প্রয়োজন দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত ছোট্ট রাইয়্যান, বাঁচতে প্রয়োজন দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

যোগফল প্রতিবেদক:

চার বছর ধরে দুরারোগ্য ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছে ছোট্ট রাইয়্যান। বর্তমানে সে বি-সেল অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া (B-Cell ALL) নামের জটিল রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও বারবার ক্যানসার ফিরে আসায় তার জীবন এখন সংকটাপন্ন। তাকে বাঁচাতে দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রথম দফায় চিকিৎসার পর রাইয়্যানের শরীর ও ব্রেনে দ্বিতীয়বার ক্যানসার ফিরে আসে। দীর্ঘ সময় কেমোথেরাপি দেওয়ার পর আল্লাহর রহমতে ক্যানসার নেগেটিভ হয়। এরপর রোজার ঈদের পর বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের পরিকল্পনা করা হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

পরে ঈদুল আজহার পর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সিএমএইচে নতুন করে ট্রান্সপ্লান্টের সিরিয়াল নেওয়া হয়। কিন্তু এর মধ্যেই তৃতীয়বারের মতো রাইয়্যানের শরীর ও ব্রেনে ক্যানসার ফিরে আসে। চিকিৎসকরা জানান, ক্যানসার নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত ট্রান্সপ্লান্ট করা সম্ভব নয়।

তীব্র মাথাব্যথায় রাতের পর রাত ঘুমাতে পারেনি রাইয়্যান। সেই সময়গুলো তার পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়। চিকিৎসকরাও জানিয়েছিলেন, পরবর্তী কেমোথেরাপির পর ক্যানসার নেগেটিভ না হলে ট্রান্সপ্লান্টের সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

তবে অগণিত মানুষের দোয়া ও মহান আল্লাহর রহমতে সম্প্রতি এসেছে আশার খবর। সর্বশেষ রিপোর্টে বোন ম্যারো এমআরডি নেগেটিভ এসেছে। পাশাপাশি সিএসএফ পরীক্ষাতেও কোনো ম্যালিগন্যান্ট সেল পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের কেমোথেরাপির পর তৃতীয়বারের মতো ক্যানসার নেগেটিভ হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাইয়্যানের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। যত দ্রুত সম্ভব তার বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। ট্রান্সপ্লান্টের জন্য তার বাবা-মায়ের রক্তের নমুনা ভারতে পাঠানো হলে বাবার ৬/১২ এবং মায়ের ৭/১২ ম্যাচ পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবার বোন ম্যারো থেকেই রাইয়্যানের ট্রান্সপ্লান্ট করা হবে।

সম্প্রতি সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসকদের বোর্ড মিটিংয়ে ট্রান্সপ্লান্টের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তির সিরিয়ালও নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘ চার বছরের চিকিৎসায় রাইয়্যানের পরিবারের সব সঞ্চয় ও সামর্থ্য শেষ হয়ে গেছে। এখন ট্রান্সপ্লান্টসহ পরবর্তী চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

ছোট্ট রাইয়্যানকে সুস্থ করে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিতে তার মা-বাবা সমাজের বিত্তবান, সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতা এবং দোয়া চেয়েছেন।

আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য সহযোগিতাও রাইয়্যানের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম

Dutch-Bangla Bank (Agent)
নাম: Md Imran Hossain
অ্যাকাউন্ট নম্বর: 7017514383788

Islami Bank Bangladesh PLC, বড়গোলা শাখা, বগুড়া
নাম: Md Imran Hossain
অ্যাকাউন্ট নম্বর: 20503120201328715

বিকাশ (Personal): 01715289515
নগদ: 01715289515

যোগাযোগ: 01715289515

ছোট্ট রাইয়্যানের জন্য সবাই দোয়া করুন। সম্ভব হলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানিয়ে দিন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসে ধাক্কা, জরিমানা গুনল বলাকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চালুর প্রথম দিনেই পিংক বাসে ধাক্কা, জরিমানা গুনল বলাকা

যোগফল প্রতিবেদক:

রাজধানীতে নারীদের জন্য চালু হওয়া ‘পিংক বাস’ সার্ভিসের প্রথম দিনেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সড়কে চলাচলের সময় বলাকা পরিবহনের একটি বাস পিংক বাসটিকে ধাক্কা দেয়।

ঘটনার পরপরই সেখানে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে বলাকা পরিবহনের বাসটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং জরিমানা করা হয়।

তবে সংঘর্ষে পিংক বাসটি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

নারীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই রাজধানীতে পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এ সার্ভিসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বাসের চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারী কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া।

চালুর প্রথম দিনেই দুর্ঘটনার ঘটনায় নতুন এই বাস সার্ভিস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গৌরনদীতে টিফিনের রুটিতে ব্লেড, তদন্তে বের হলো ভিন্ন তথ্য; শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গৌরনদীতে টিফিনের রুটিতে ব্লেড, তদন্তে বের হলো ভিন্ন তথ্য; শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত

যোগফল প্রতিবেদক:

বরিশালের গৌরনদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটির ভেতর ব্লেড পাওয়ার ঘটনায় করা তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা কারখানা থেকে ব্লেড রুটির ভেতরে যাওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং স্কুলের এক শিক্ষার্থী নিজেই রুটির মধ্যে ব্লেডটি ঢুকিয়ে রেখেছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর তথ্য-উপাত্ত যাচাই না করেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে হরিসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শারমিন জাহানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটি প্রথমে রুটি সরবরাহকারী কারখানা সরেজমিনে পরিদর্শন করে। রুটি তৈরির মিক্সিংসহ উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ পরীক্ষা করে দেখা হয়। তদন্তে কারখানা থেকে অক্ষত একটি ব্লেড রুটির ভেতরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তারা নিশ্চিত হন।

এরপর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এমনকি সংশ্লিষ্ট ছাত্রীর বাড়িতে ব্যবহৃত ব্লেডের বিষয়েও তথ্য নেওয়া হয় এবং সেই ব্লেড উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে উঠে আসে, ব্লেডটি ওই ছাত্রীর ব্যাগেই ছিল। স্কুলে ব্লেড আনা নিষিদ্ধ হওয়ায় শিক্ষিকার বকা বা শাস্তির ভয়ে সে ব্লেডটি রুটির মধ্যে লুকিয়ে রাখে। পরে রুটির প্যাকেট খোলার সময় আরেক শিক্ষার্থী ব্লেডটি দেখতে পায়। বিষয়টি শিক্ষিকাকে জানানো হলে তিনি যাচাই-বাছাই না করেই রুটির ছবি তোলেন এবং প্রথমে শিক্ষকদের মেসেঞ্জার গ্রুপে, পরে সদর ক্লাস্টার গ্রুপে ছবিটি ছড়িয়ে দেন।

এভাবে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের আগেই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয় এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

তদন্ত কমিটি মাত্র তিন দিনের মধ্যে ঘটনাটি বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদনকে শতভাগ সঠিক বলে দাবি করেছেন।

এদিকে রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইল্যান্ড ট্রেডিং করপোরেশনের প্রকল্প পরিচালক শাহ আলম খান এর আগে জানিয়েছিলেন, কোকাকোলা ম্যানুফ্যাকচারিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুলগুলোতে রুটি সরবরাহ করা হয়। সেখানে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রুটি তৈরি হয় এবং মিক্সিংয়ের সময় কোনো ধাতব বস্তু ঢুকলে তা অক্ষত অবস্থায় থাকার কথা নয়।

বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী শিক্ষিকা শারমিন জাহানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আলমতাজ টিফিনের রুটি খাওয়ার সময় ভেতরে একটি ব্লেড দেখতে পায়। বিষয়টি শ্রেণিশিক্ষক শারমিন জাহানকে জানানোর পর রুটির ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মাকে ফোনে না পেয়ে ছুটে এলো ছেলে, ঘরে মিলল মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাকে ফোনে না পেয়ে ছুটে এলো ছেলে, ঘরে মিলল মরদেহ

যোগফল প্রতিবেদক:

ফেনীর পরশুরামে টানা দুই দিন মায়ের মোবাইলে ফোন করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়িতে ছুটে আসেন ছেলে আফজাল হোসেন। বাড়িতে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মায়ের মরদেহ দেখতে পান তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার গুথুমা মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে জাহেদা আক্তার (৬৫) নামে ওই নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জাহেদা আক্তার ওই এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। তার একমাত্র ছেলে ঢাকায় চাকরি করেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে সেখানেই বসবাস করায় জাহেদা বাড়িতে একাই থাকতেন।

পরিবারের ধারণা, শনিবার রাতে ঘুমের মধ্যেই তার মৃত্যু হতে পারে। এরপর প্রায় দুই দিন ঘরের ভেতর মরদেহ পড়ে থাকলেও প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পাননি।

জাহেদার ছেলে আফজাল হোসেন হৃদয় জানান, রোববার থেকে মায়ের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

তিনি বলেন, সড়কে যানজট থাকায় বাড়ি ফিরতে কিছুটা দেরি হয়। বাড়িতে পৌঁছে দেখতে পান, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। তখন মায়ের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

আফজাল জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় তার মাকে ফেনীতে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে আফজাল বলেন, তার মা দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় মায়ের দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মৃত্যুকে ঘিরে কোনো বিভ্রান্তিকর বা নেতিবাচক তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর জানান, প্রায় দুই দিন ধরে জাহেদাকে বাড়ির বাইরে দেখা যায়নি। অসুস্থ একজন বৃদ্ধা একা বসবাস করায় তার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আপত্তি না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পারিবারিকভাবে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম