খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

প্রিয় নবীর সুন্নত পালনে রয়েছে দুনিয়া-আখিরাতের মুক্তি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রিয় নবীর সুন্নত পালনে রয়েছে দুনিয়া-আখিরাতের মুক্তি

মানবজীবনের প্রকৃত সফলতা, হেদায়েত ও মুক্তির পথ হলো মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করা। একজন মুসলমানের প্রতিটি কাজ, কথা, আচরণ ও ইবাদত প্রিয় নবী (সা.)-এর আদর্শ অনুযায়ী পরিচালিত হওয়াই ইসলামের শিক্ষা। তিনি যেভাবে নামাজ আদায় করেছেন, যেভাবে জীবনযাপন করেছেন এবং মানুষের সঙ্গে আচরণ করেছেন, মুসলমানদেরও সেভাবেই চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের সূরা আলে ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে নবী! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমার অনুসরণ কর। তাহলে আল্লাহও তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।”

এই আয়াত থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, আল্লাহর ভালোবাসা লাভের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করা। যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে নবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন এবং তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। একজন মুমিনের জন্য এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর হতে পারে না।

হাদিসেও সুন্নতের অনুসরণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হজরত ইরবাজ ইবনে সারিয়া (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের উদ্দেশে অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী নসিহত করেন। সাহাবিদের চোখ অশ্রুসজল হয়ে ওঠে এবং অন্তর ভীত হয়ে পড়ে। তখন এক সাহাবি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এটি যেন বিদায়বেলার উপদেশ। আমাদের আরও কিছু অসিয়ত করুন।’

জবাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকওয়া অবলম্বন, দায়িত্বশীল নেতার আনুগত্য এবং তাঁর সুন্নত ও খুলাফায়ে রাশেদীনের আদর্শ দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসলামের নামে নতুন কোনো বিদআত বা মনগড়া বিষয় গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ প্রতিটি বিদআতই মানুষকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে।

অন্য এক হাদিসে হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তাঁর সুন্নতকে ভালোবাসে, সে প্রকৃতপক্ষে তাঁকেই ভালোবাসে। আর যে তাঁকে ভালোবাসবে, সে জান্নাতে তাঁর সঙ্গ লাভ করবে।

আরেকটি হাদিসে এসেছে, ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে জীবন পরিচালনা করবে, সে ১০০ জন শহীদের সমান সওয়াব লাভ করবে। কারণ এমন সময়ে সুন্নতের অনুসারীরা নানা বাধা, উপহাস ও বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে। তবুও যারা ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে সুন্নতের ওপর অবিচল থাকবে, আল্লাহ তাদের জন্য বিশেষ মর্যাদা ও প্রতিদান নির্ধারণ করেছেন।

তাই একজন মুসলমানের উচিত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নতকে অনুসরণ করা। কারণ সুন্নতের মধ্যেই রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি, গুনাহের ক্ষমা, জান্নাতের সুসংবাদ এবং দুনিয়া-আখিরাতের প্রকৃত মুক্তি।

টক্সিক’ ধুঁকছে, চার দিনেই ১৫৪ কোটিতে ঝড় তুলেছে ‘মির্জাপুর’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টক্সিক’ ধুঁকছে, চার দিনেই ১৫৪ কোটিতে ঝড় তুলেছে ‘মির্জাপুর’

যোগফল প্রতিবেদক: 

২০২৬ সালের বক্স অফিসে বড় তারকাদের সিনেমার ভিড়ে এবার চমক দেখাচ্ছে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। মুক্তির মাত্র চার দিনেই বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় ১৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে যশ অভিনীত বড় বাজেটের ‘টক্সিক’ ১৩ দিন প্রেক্ষাগৃহে চলার পর আয়ের গতি অনেকটাই হারিয়েছে।

৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ প্রথম তিন দিনে ভারতে যথাক্রমে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ, ৩২ কোটি ও ৩৬ কোটি রুপি নেট আয় করেছে। চতুর্থ দিন কর্মদিবস হওয়ায় আয় কিছুটা কমলেও ওই দিন সিনেমাটি ১৬ কোটি রুপি নেট ব্যবসা করেছে।

ফলে চার দিনে ভারতের বাজারে সিনেমাটির নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১০৯ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। বিশ্বব্যাপী মোট আয় হয়েছে ১৫৪ কোটি ৫ লাখ রুপি।

অন্যদিকে ‘টক্সিক’ মুক্তির ১৩তম দিনে ভারতে মাত্র ৬৬ লাখ রুপি নেট আয় করেছে। সব মিলিয়ে সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩৭ কোটি ৩৯ লাখ রুপি। অর্থাৎ মোট আয়ের দিক থেকে ‘টক্সিক’ এখনো এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক বক্স অফিস গতিতে ‘মির্জাপুর’ বেশ এগিয়ে রয়েছে।

বিশেষ করে প্রথম সোমবারের আয়ের হিসাবে দুই সিনেমার ব্যবধান বেশ বড়। ‘মির্জাপুর’ প্রথম সোমবার ভারতে ১৬ কোটি রুপি নেট আয় করেছে। বিপরীতে ‘টক্সিক’ মুক্তির ১৩তম দিনে এক কোটির রুপিরও কম ব্যবসা করেছে। অর্থাৎ প্রথম সোমবারের আয়ে ‘মির্জাপুর’ প্রায় ২৪ গুণ বেশি ব্যবসা করেছে।

এদিন ‘মির্জাপুর’ আরেক আলোচিত সিনেমা ‘হানুমান অংশ’-এর চেয়েও বেশি আয় করেছে। ওই দিন ভারতের বাজারে ‘হানুমান অংশ’ প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ রুপি নেট ব্যবসা করে।

তবে মোট আয়ের হিসাবে এখনই ‘মির্জাপুর’কে ‘টক্সিক’-এর চেয়ে এগিয়ে রাখার সুযোগ নেই। কারণ ‘টক্সিক’ ইতোমধ্যে ১৩ দিন ব্যবসা করেছে, যেখানে ‘মির্জাপুর’ মাত্র চার দিনে রয়েছে। দুই সিনেমার তুলনায় মূল পার্থক্য তৈরি হয়েছে আয়ের গতি ও দর্শক ধরে রাখার সক্ষমতায়।

‘মির্জাপুর’-এর সাফল্যের পেছনে জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজটির শক্তিশালী দর্শকভিত্তি বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে। কালীন ভাইয়া, গুড্ডু পণ্ডিত ও মুন্না ভাইয়ার মতো পরিচিত চরিত্রগুলোকে বড় পর্দায় দেখার আগ্রহ থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে শুরু থেকেই ব্যাপক কৌতূহল ছিল।

চার দিনে ভারতে ১০০ কোটির বেশি নেট আয় এবং বিশ্বব্যাপী ১৫৪ কোটি রুপি ব্যবসার পর এখন ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’র সামনে ২০০ কোটি রুপির মাইলফলক। প্রথম সোমবারের শক্তিশালী আয় সেই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে ‘টক্সিক’ বিশ্বব্যাপী ৩৫০ কোটি রুপির মাইলফলক থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তবে সাম্প্রতিক দিনের আয় সিনেমাটির ব্যবসায়িক গতি কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এখন দেখার বিষয়, ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে কতদূর যেতে পারে এবং ‘টক্সিক’ তার কমে যাওয়া গতি কতটা ফিরিয়ে আনতে পারে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাঁথিয়ায় পুকুরে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় পুকুরে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ

 যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনার সাঁথিয়ায় একটি পুকুর থেকে আব্দুল আজিজ (৫৫) নামে এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মিয়াপুর মিনারপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুল আজিজ ক্ষেতপাড়া ইউনিয়নের ডাঙ্গামাছ গ্রামের মৃত সেকেন সরদারের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজের পর বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে মিয়াপুর মিনারপাড়া এলাকার মানিকের পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সাঁথিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় স্থানীয়রা মরদেহটি আব্দুল আজিজের বলে শনাক্ত করেন।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুকুর থেকে আব্দুল আজিজের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

 যোগফল প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি এবং টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় নামজারি আবেদন বাতিলের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ারের বিরুদ্ধে। একই বণ্টননামা ও মালিকানা সংক্রান্ত কাগজের ভিত্তিতে ভাইয়ের নামজারি মঞ্জুর হলেও নিজের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন চামরদানি ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের কৃষক বিশ্বজিৎ সরকার।

অভিযোগকারী বিশ্বজিৎ সরকারের ভাষ্য, গত ১ আগস্ট নিজের নামে তিনটি ক্রয় দলিল এবং সহোদর ভাইদের সঙ্গে বণ্টননামা দলিলের মাধ্যমে পাওয়া মোট ২৭৫ শতাংশ জমির নামজারির জন্য আবেদন করেন তিনি। আবেদনটি তদন্তের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ারের কাছে পাঠানো হয়। পরে সারোয়ার তাকে একাধিকবার ফোন করে অফিসে এবং অফিসের সামনের সড়কে দেখা করতে বলেন। দেখা করার পর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন বিশ্বজিৎ। তিনি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও কর্মকর্তা তাতে রাজি হননি বলে দাবি তার।

বিশ্বজিৎ আরও জানান, গত ১৭ আগস্ট ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য হোল্ডিং অনুমোদনের আবেদন করেন তিনি। কিন্তু পরদিনই ওই আবেদন বাতিল করা হয়।

অভিযোগে বিশ্বজিৎ বলেন, একই দলিল ও মালিকানা সংক্রান্ত কাগজের ভিত্তিতে তার এক ভাইয়ের নামে নামজারি মঞ্জুর করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই ভাই জমিটি অন্যত্র হস্তান্তরও করেছেন। অথচ তার নামজারি আবেদন খাজনা পরিশোধ না করার কারণ দেখিয়ে নামঞ্জুর করা হয়েছে। তার ভাইয়ের নামজারি ভুলবশত মঞ্জুর করা হয়েছে দাবি করে প্রয়োজনে সেই খতিয়ান, বণ্টননামা ও হস্তান্তর দলিল বাতিল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার বলেন, তিনি ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছেন—এমন অভিযোগের কোনো প্রমাণ অভিযোগকারী দিতে পারবেন না। তার দাবি, বিশ্বজিতের ভাইয়ের বণ্টননামা দলিলটি সম্প্রতি সম্পাদিত হওয়ায় তিনি সরলভাবে ধরে নিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা হয়েছে। সে কারণেই নামজারি মঞ্জুর করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে সেটি বাতিল করা হবে বলেও জানান তিনি। নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন সারোয়ার।

এ বিষয়ে বাদশাগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার পলাশ তালুকদার জানান, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ অনুযায়ী বণ্টননামা হস্তান্তর দলিল নয়। তাই বণ্টননামা দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ বাধ্যতামূলক নয়। এ সময় তিনি ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩-এর ৬(২) ও ৬(৩) ধারার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম